ঢাকায় আজ এসে গেলেই ভালো
হতো ভারতীয় দলের জন্য।
বিমানবন্দর থেকে হোটেল পর্যন্ত
যতগুলো বাংলাদেশের পতাকা
তারা দেখতে পেত, ঠিক ততগুলোই
দেখত ভারতের তেরঙ্গা পতাকাও।
যতবার দেখত বাংলাদেশের
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাসি
মুখ, পাশেই দেখত নরেন্দ্র মোদির
শ্মশ্রুমণ্ডিত চেহারা।
কিন্তু আগেই জানিয়ে দেওয়া
হয়েছে, ভারত আজ আসছে না। নরেন্দ্র
মোদি আজ ঢাকা ছেড়ে যাবেন,
আগামীকাল আসবে বিরাট
কোহলির নেতৃত্বে ভারতীয় টেস্ট
দল। মূলত ভারতের প্রধানমন্ত্রীর
নিরাপত্তাব্যবস্থার ওপর চাপ
কমাতেই ধোনি-কোহলিদের এক
দিন পরে আসা। ভারতের টেস্ট দল
গতকালই কলকাতায় একত্র হয়েছে।
ঢাকার বিমানে ওঠার আগে
সেখানেই দুদিনের ফিটনেস ক্যাম্প।
কাল সকালে ঢাকায় এসে টেস্টের
আগে শুধু পরশুই অনুশীলন করবে ভারত,
আগে এমনই কথা ছিল। কিন্তু গত পরশু
রাতে বিসিসিআই থেকে আসা এক
জরুরি ফোন কলে বিসিবিকে
জানানো হয়, সকালে ঢাকায়
নেমে দুপুরেই কোহলিরা অনুশীলন
করতে চান এবং সেটাও একমাত্র
টেস্টের ভেন্যু ফতুল্লায়। কিন্তু ওই সময়
যে ফতুল্লা স্টেডিয়ামে অনুশীলন
করবে বাংলাদেশ দলও! কাল দুপুরে
অনুশীলন করতে চাইলে তাই ভারতীয়
দলকে তা করতে হবে মিরপুরেই। তা-ও
মূল স্টেডিয়ামে নয়, একাডেমি
মাঠে। মূল স্টেডিয়ামে কাল-পরশু
দুদিনই আছে হাই পারফরম্যান্স
ইউনিটের টি-টোয়েন্টি ম্যাচ।
ধোনি-কোহলিদের জন্য
অপেক্ষার মধ্যেই কাল গুরুত্বপূর্ণ টিম
মিটিং সেরে ফেলেছে
বাংলাদেশ দল। মিটিংয়ের বিষয়ে
অবশ্য নতুনত্ব নেই। সব সিরিজের আগেই
যা হয়, তেমন রুটিন মিটিংই।
বোলার-ব্যাটসম্যানদের সঙ্গে
কোচিং স্টাফদের আলাদা
আলাদা সভায় ভারতীয় বোলার-
ব্যাটসম্যানদের ভিডিও ফুটেজ
বিশ্লেষণ করা হয়েছে। খোঁজা
হয়েছে তাদের দুর্বলতা আর
শক্তিমত্তার জায়গাগুলো। বিরাট
কোহলির যেমন দুর্বলতা আবিষ্কৃত
হলো অফ স্টাম্পের বাইরে থেকে
ভেতরে ঢোকা বলে।
ব্যাটসম্যানদেরও দেখানো হলো
নতুন বা পুরোনো বলে ভারতীয়
বোলারদের কার কতটা দক্ষতা এবং
এ রকম আরও অনেক কিছুই।
টিম মিটিংয়ের বাইরে কাল শুধু
জিমই করেছেন ক্রিকেটাররা। তবে
মুশফিকুর রহিম ব্যতিক্রম। মিটিং
শেষে বেশ কয়েক ঘণ্টা ব্যাটিং
অনুশীলন করলেন ইনডোরের বাইরের
মাঠের নেটে। পাকিস্তানের
বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে
ব্যাটিংয়ে নিজের ছায়া
হয়েছিলেন। সেই অতৃপ্তি থেকেই
এবার বাড়তি কিছুর জন্য বাড়তি
পরিশ্রম।
ভারতের মতো দলের বিপক্ষে
ভালো কিছু পেতে হলে অবশ্য এই
বাড়তি পরিশ্রমটা করতে হবে দলের
সবাইকেই।
Popular Posts
-
১/মুশফিকুর রহিম (অধিনায়ক) ২/তামিম ইকবাল (সহ-অধিনায়ক) ৩/ইমরুল কায়েস ৪/লিটন কুমার দাস ৫/মুমিনুল হক, ৬/সাকিব আল হাসান ৭/মাহমুদউল্লাহ ৮/শ...
-
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের যাত্রা শুরুর সাক্ষী হয়ে আছেন ইমরান খান। বাংলাদেশের ওয়ানডে অভিষেকের দিন পাকিস্তান অধিনায়ক নাকি বাংলা...
-
১। তামিম ইকবাল ২। সৌম্য সরকার ৩। লিটন কুমার দাস ৪। সাকিব আল হাসান ৫। মুশফিকুর রহিম ৬। সাব্বির রহমান ৭। নাসির হোসেন ৮। মাশরাফি বিন মুর...
-
বাংলাদেশ vs পাকিস্তান এর মধ্যকার সিরিজ এ ইতিমধ্যে পাকিস্তান তাদের স্কোয়াড তালিকা দিয়ে দিছে। এবার বাংলাদেশ এর সম্ভাব্য টেস্ট ,ওয়ানড...
-
এই তো বছর পাঁচেক আগের কথা। জেলা পর্যায়ে অনূর্ধ্ব-১৬ ক্রিকেট খেলায় সাতক্ষীরার হয়ে প্রথম মাঠে নেমেছিলেন মুস্তাফিজুর রহমান। প্রতিপক্ষ ম...
-
নাসির হোসেন, বর্তমান সময়ে অন্যতম জনপ্রিয় ক্রিকেট তারকা। মাঠে, মাঠের বাইরে নানা দুষ্টমিতে মাতিয়ে রাখেন চারপাশটাকে। সম্প্রতি কথা হলো না...
-
১৯৮৩ সালে ১৮৩ রান করেও বিশ্বকাপের ফাইনাল জিতে গিয়েছিল। প্রথম ইনিংস শেষ হবার পরও যে, নিউজিল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বকাপ ফাইনালে সামান্য ক...
-
ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে বেশী রান, শতক, অর্ধশতক, চার ও ছক্কার মালিক এখন তামিম ইকবাল! ১৪৩ ওয়ানডে ম্যাচে তার মোট রান ৪৩৭৩। দ...
-
Today at 2:30 pm. Plz like our facebook fan page www.facebook.com/StadiumZone
-
১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৯ মার্চ—প্রায় দেড় মাসের বিশ্বকাপ উৎসবের পর্দা নামল গতকালই। এবার বিশ্বকাপে কেবল ‘অতিথি’ হতে যায়নি বাংলাদেশ। বরং অনে...
Popular Posts
Sunday, June 7, 2015
মোদি যাবেন, আসবেন কোহলিরা
Saturday, June 6, 2015
‘মাশরাফি রিকশায় কেন?’
মাশরাফি আমাদের সম্পদ বলেই
অনেক বড় ঘটনাই ঘটতে পারত। দেশের
মানুষের আশীর্বাদেই কিনা, অল্পের
জন্য বেঁচে গেছেন মাশরাফি বিন
মুর্তজা। মিরপুরের শেরেবাংলা
স্টেডিয়ামের কাছেই বাসা হওয়ায়
বৃহস্পতিবার রিকশা করেই অনুশীলনে
আসছিলেন বাংলাদেশের ওয়ানডে
অধিনায়ক। পথে একটি বেপরোয়া
বাস পেছন থেকে ধাক্কা দেয়
মাশরাফিকে। সতর্ক হয়ে রিকশায়
বসার কারণে নিজেকে কিছুটা
হলেও সামলাতে পেরেছিলেন।
কিন্তু আঘাত তিনি পেয়েছেনই।
মাশরাফির এই দুর্ঘটনাটা যেন
খেলোয়াড়দের জন্য এক ধরনের
সতর্কবার্তাই। জাতীয় ক্রিকেট দলের
সাবেক অধিনায়ক ও বাংলাদেশের
প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরিয়ান আমিনুল
ইসলামের চোখে অন্তত তা-ই। তিনি
মাশরাফির রিকশা ভ্রমণের
ব্যাপারেও নিজের বিরক্তি ও
বিস্ময় চেপে রাখতে পারেননি।
প্রথম আলোর সঙ্গে এক
আলাপচারিতায় তিনি বলেন,
‘ভারতের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ
সিরিজের আগে খেলোয়াড়দের একটু
সতর্ক থাকাটাই বাঞ্ছনীয়। দুর্ঘটনার
ওপর আমাদের কারও কোনো হাত না
থাকলেও সেদিন মাশরাফির
রিকশায় করে অনুশীলনে আসাটা
আমি মেনে নিতে পারছি না। সে
হয়তো সরল মনেই রিকশায় চেপেছিল।
বাসা কাছে বলেই গাড়ি ব্যবহার
করতে চায়নি সে। কিন্তু দুর্ঘটনা তো
একটা ঘটেই গেল। গাড়িতে সে অন্তত
চোটটা এড়াতে পারত। মাশরাফির
মনে রাখা উচিত, সে আমাদের
গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ।’
মাশরাফির এই ঘটনা আমিনুলকে
ফিরিয়ে নিয়ে গেছে ১৮ বছর আগের
এক সকালে। ১৯৯৭ সালে আইসিসি
ট্রফিতে খেলতে যাওয়ার আগে
ক্যাম্প হচ্ছিল সাভারের
বিকেএসপিতে। সে সময়
বিকেএসপিতে সুযোগসুবিধার
ঘাটতি থাকার কারণে অনেক
সিনিয়র খেলোয়াড়ই সেখানে
থাকতে চাইতেন না। ব্যক্তিগত
গাড়ি নিয়ে সেখানে যাওয়াটা
ছিল খুব স্বাভাবিক ঘটনা। ক্রিকেটে
পেশাদারির ছোঁয়াও তখন ঠিক
সেভাবে ছিল না। আইসিসি ট্রফির
মাস খানেক আগে বিকেএসপিতে
একটা দুর্ঘটনা ঘটেছিল। সেই দুর্ঘটনায়
আহত হয়েছিলেন আমিনুলসহ আরও দু-
একজন ক্রিকেটার।
স্মৃতি হাতড়ে আমিনুল বললেন, ‘মণি
ভাইয়ের (এনামুল হক) গাড়ি সেদিন
আমাকে আঘাত করেছিল। অটো
গিয়ারের গাড়িতে তিনি কোনো
একটা গড়বড় করে ফেলেছিলেন। আমি
কোমরে প্রচণ্ড ব্যথা পেয়েছিলাম।
একটা পর্যায়ে মনে হচ্ছিল আমি বুঝি
আর আইসিসি ট্রফিটা খেলতে পারব
না। অথচ সতর্ক হলে খুব সহজেই এড়ানো
যেত ওই দুর্ঘটনাটি। নিজের গাড়ি
চালিয়ে সাভারে অনুশীলনে
যাওয়া আর ওখান থেকে ফেরার
ব্যাপারটি ছিল বেশ ঝুঁকিপূর্ণ।’
Friday, May 22, 2015
বাংলাদেশের সামনে ছয়ে ওঠার হাতছানি!
‘বাংলাদেশ তো এখন ওয়ানডে
র্যাঙ্কিংয়ের আটে...।’ প্রশ্নকর্তা
সাংবাদিককে থামিয়ে দিয়ে
তামিম ইকবাল বলেছিলেন, ‘আমার
মনে হয় আমরা সাতেই আছি। ওয়েস্ট
ইন্ডিজের সঙ্গে আমাদের রেটিং
তো সমান।’
আসলেই তা-ই। সাতে থাকা ওয়েস্ট
ইন্ডিজের সমান ৮৮ রেটিং পয়েন্ট
বাংলাদেশের। মাশরাফি বিন
মুর্তজার দলের সামনে এখন ছয়ে উঠে
আসার একটা সম্ভাবনা ঝিলিক
দিচ্ছে। সমীকরণটা অবশ্য খানিকটা
জটিল।
সেই হিসাবে যাওয়ার আগে
বাংলাদেশ দলকে আগে নির্ভার
হওয়ার জন্য আরেকটা সুখবর দেওয়া
দরকার। আগামী বিশ্বকাপ সরাসরি
খেলতে র্যাঙ্কিংয়ের আট নম্বরে
থাকাটা খুবই জরুরি। ২০১৭ সালের ৩০
সেপ্টেম্বর পর্যন্ত র্যাঙ্কিংয়ে
আটের ভেতরে থাকতে পারলে আর
বাছাই পর্ব খেলার ঝক্কিতে যেতে
হবে না বাংলাদেশকে। আপাতত আট
নম্বর জায়গাটি নিয়ে
বাংলাদেশের সঙ্গে লড়াই নয়ে
থাকা পাকিস্তানের।
ছয় বছর পর দেশের মাটিতে ক্রিকেট
খেলতে চলেছে পাকিস্তান।
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ানডে
সিরিজও আছে তাদের। বাংলাদেশ
যদি ভারতের বিপক্ষে ০-৩ ব্যবধানে
হেরেও যায়, আর পাকিস্তান যদি
জিম্বাবুয়েকে ৩-০ ব্যবধানে হারায়;
তবুও রেটিং পয়েন্টে কোনো
পরিবর্তন আসবে না। পয়েন্টে
হেরফের হলেও বাংলাদেশের
রেটিং থাকবে ৮৮, পাকিস্তানের
৮৭।
ফলে রেটিং পয়েন্ট হারানোর ভয়
বাংলাদেশের নেই। বরং আছে
রেটিং পয়েন্ট বাড়ানোর সুযোগ।
সিরিজে বাংলাদেশ একটা ম্যাচ
জিতলে তাদের রেটিং হবে ৮৯,
দুটো ম্যাচ জিতলে ৯৩। আর
পাকিস্তানের মতো ভারতকেও
বাংলাওয়াশ করতে পারলে
রেটিং হয়ে যাবে ৯৬। বর্তমানে
ছয়ে থাকা ইংল্যান্ডের রেটিং
পয়েন্ট ৯৪।
সেই হিসাবে ভাবতে পারেন,
বাংলাওয়াশ করলেই তো
বাংলাদেশ ইংল্যান্ডকে টপকে
যাবে। না, কারণ কাছাকাছি সময়ে
ইংল্যান্ডও ওয়ানডে সিরিজ খেলবে
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে। সেটিও
নিজেদের দেশে। ৫ ম্যাচের সেই
সিরিজে ইংল্যান্ড যদি ২-৩
ব্যবধানে হেরে যায়, তাহলে ৬ নম্বর
জায়গাটি হয়ে যাবে
বাংলাদেশের। তখন বাংলাদেশের
রেটিং পয়েন্ট হবে ৯৬, ইংল্যান্ডের
৯৪। গত বিশ্বকাপের রানার্সআপ
নিউজিল্যান্ড যদি ৩-২ ব্যবধানে
সিরিজটা ইংল্যান্ডের কাছে
হারেও, তাতেও সুবিধা হবে
বাংলাদেশের। তখন বাংলাদেশ-
ইংল্যান্ড দুদলেরই রেটিং হবে সমান
—৯৬।
এসবই হিসাব করা হচ্ছে বাংলাদেশ
ভারতকে ধবল ধোলাই করবে ধরে
নিয়ে। কিন্তু যেমনটা আগেই বলা
হয়েছে, বাস্তবতা বিবেচনায়
বাংলাদেশ যদি ভারতকে ধবল
ধোলাই নাও করতে পারে, অসুবিধা
নেই। একেকটি জয় বাংলাদেশকে
এনে দেবে একেকটি গুরুত্বপূর্ণ
রেটিং পয়েন্ট। এভাবে ভাবলেও
তো চলে! সবচেয়ে বড় কথা, এর পরই
বাংলাদেশে খেলতে আসছে র্যা
ঙ্কিংয়ের চারে থাকা দক্ষিণ
আফ্রিকা। তাদের বিপক্ষেও
বাংলাদেশের রেটিং পয়েন্ট
বাড়ানোর সুযোগ তো থাকছেই।
ভারতের বিপক্ষে ওয়ানডে
সিরিজটি তাই বাংলাদেশের জন্য
ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। আগামী সেপ্টেম্বর
পর্যন্ত ওয়েস্ট ইন্ডিজের কোনো
ওয়ানডে সিরিজ নেই। কিন্তু এ বছর
বেশ ব্যস্ততায় কাটবে
বাংলাদেশের। ভারত, দক্ষিণ
আফ্রিকার পর আসবে অস্ট্রেলিয়াও। এ
বছর সেপ্টেম্বর ৩০-এর মধ্যে
র্যাঙ্কিংয়ের সাতে উঠে আসতে
পারলে বাংলাদেশের সামনে
মিলবে ২০১৭ চ্যাম্পিয়নস ট্রফি
খেলার সুযোগও।
র্যাঙ্কিংয়ের সেরা সাত দল ও
স্বাগতিক ইংল্যান্ড মিলে হবে এই
টুর্নামেন্টটি। ২০১৯ বিশ্বকাপও
যেহেতু ইংল্যান্ডে, চ্যাম্পিয়নস
ট্রফি হতে পারে বিশ্বকাপের ‘মহড়া’
টুর্নামেন্ট। সেই টুর্নামেন্টে খেলার
অভিজ্ঞতা নিশ্চয়ই কাজে দেবে
বিশ্বকাপে।
Thursday, May 21, 2015
ক্রিকেট দলের নতুন স্পনসর রবি !
জাতীয় ক্রিকেট দলের স্পনসরশিপ
স্বত্ব পেয়েছিল ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট
কোম্পানি টপ অব মাইন্ড। তবে সেটা
যে তারা অন্য কোনো কোম্পানির
কাছে বিক্রি করে দেবে, সেটি
জানাই ছিল। কৌতূহল ছিল, সেই
কোম্পানিটি নিয়ে। কারণ তাদের
লোগোই তো থাকবে
বাংলাদেশ দলের জার্সিতে। কাল
জানা গেল, টপ অব মাইন্ডের কাছ
থেকে দুই বছরের জন্য সেই স্পনসরশিপ
স্বত্ব কিনে নিয়েছে মুঠোফোন
সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান রবি
আজিয়াটা লিমিটেড। কাল মিরপুর
শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে এক
সংবাদ সম্মেলনে রবির প্রধান
নির্বাহী কর্মকর্তা মাহতাব উদ্দিন
আহমেদ বলেন, ‘বাংলাদেশ ক্রিকেট
দলের অব্যাহত অগ্রযাত্রায় শামিল
হতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত।
আশা করব, ক্রিকেটে বাংলাদেশের
জয়যাত্রা অব্যাহত থাকবে।’
টপ অব দ্য মাইন্ড স্পনসরশিপ স্বত্ব
কিনেছিল ৪১ কোটি ৪১ লাখ
টাকায়। তবে তাদের কাছ থেকে
রবি কত টাকায় কিনেছে, তা
জানানো হয়নি।
Sunday, May 17, 2015
তখন সাকিবের বয়স মাত্র ৯...
১৯৯৬ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর ভারতের
বিপক্ষে টরন্টোয় আজহার মেহমুদের
যেদিন ওয়ানডে অভিষেক হলো,
সেদিন সাকিব আল হাসান কী
করছিলেন? প্রশ্নটা স্বয়ং সাকিবকে
করলেও সঠিক উত্তর হয়তো পাওয়া
যাবে না। ১৯৯৬ তো দূরে থাক,
সাকিবের নাকি ১৯৯৯ সালের
বিশ্বকাপে নর্দাম্পটনে
পাকিস্তানের বিপক্ষে সেই
ঐতিহাসিক জয়ের কথাটাও ঠিকঠাক
মনে নেই!
কথাটা সাকিব নিজেই
জানিয়েছিলেন গত ১৭ এপ্রিল,
পাকিস্তানের বিপক্ষে ১৬ বছর পর জয়
পাওয়ার পর। হঠাৎ কেন সাকিবের
পুরোনো কাসুন্দি ঘাঁটা? কারণ তো
আছেই। গত রাতে আইপিএলে
কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে সপ্তম
উইকেটে আজহারের সঙ্গে ১০ রানের
ছোট্ট একটা জুটি গড়েছিলেন
বাংলাদেশ অলরাউন্ডার। আজহার-
সাকিব-দুজনের বয়সের ব্যবধান ১২ বছর।
অর্থাৎ ১৯ বছর আগে, আজহারের
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে
অভিষেকের সময় সাকিবের বয়স ছিল
মাত্র ৯। জুটির দুই প্রান্তের
ব্যাটসম্যানের বয়সের এমন বিস্তর
ব্যবধান নিয়ে যাঁরা একটু হলেও
ভেবেছিলেন, তাদের জ্ঞাতার্থে
জানানো যাচ্ছে, ক্রিকেট
ব্যাটিং-জুটির বয়সের পার্থক্য
নেহাতই কম দেখেনি। ইতিহাস
ঘাঁটলে এমন উদাহরণ কিন্তু বেরিয়ে
আসবে বেশ কয়েকটিই।
টেস্ট ক্রিকেটে জুটির বয়সের ব্যবধান
বলতে গেলে প্রথমেই আসবে রোডস-
ভোসের কথা। ‘টাইমলেস টেস্ট যুগে’
অর্থাৎ ১৯৩০ সালের এপ্রিলে ওয়েস্ট
ইন্ডিজের বিপক্ষে ইংলিশ
ক্রিকেটার উইলফ্রেড রোডস যখন ব্যাট
করতে নামেন তখন তাঁর বয়স ছিল ৫২
বছর ১৬৫ দিন। টেস্ট ইতিহাসে
সবচেয়ে বেশি বয়সী খেলোয়াড়
হওয়ার ‘অনন্য গৌরব’টা কিন্তু
রোডসের দখলেই! শেষ উইকেট জুটিতে
রোডসের সঙ্গী ছিলেন ২১ বছর বয়সী
বিল ভোস। দুজনের বয়সের ব্যবধান ছিল
৩১ বছর!
এরপরই আসবেন ডব্লিউ গ্রেস-চার্লস
ফ্রাই। ১৮৯৯ সালের জুনে
অ্যাশেজেতে নটিংহাম টেস্টে
বিখ্যাত ইংলিশ অধিনায়ক ডব্লিউ
গ্রেসের বয়স ছিল ৫০ বছর ৩২০ দিন।
ওপেনিং পার্টনার চার্লস ফ্রাইয়ের
সঙ্গে তাঁর বয়সের ব্যবধান ছিল ২৩ বছর।
পরেরটি অবশ্য অস্ট্রেলীয়দের দখলে,
বার্ট আয়রনমংগার ও হ্যারি
আলেকজান্ডারের। ১৯৩৩ সালের
ফেব্রুয়ারিতে অ্যাশেজে
সিরিজের সিডনি টেস্টে
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে আয়রনমংগার
যখন খেলতে নেমেছিলেন, তখন তাঁর
বয়স ছিল ৫০ বছর ৩২৭ দিন।
অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংসে শেষ
উইকেটে ২৮ বছর বয়সী
আলেকজান্ডারের সঙ্গে ৫ রানের
জুটি গড়েছিলেন আয়রনমংগার।
দুজনের বয়সের ব্যবধান কত দাঁড়াল?
‘বেশি’ না,২২ বছর!
ওয়ানডেতেও রয়েছে এমন কিছু ঘটনা।
এ ক্ষেত্রে সবার ওপরে থাকবেন
হল্যান্ডের নোলান ক্লার্ক-টিম ডি
লিডে। ১৯৯৬ বিশ্বকাপে দক্ষিণ
আফ্রিকার বিপক্ষে ম্যাচে
ক্লার্কের বয়স ছিল ৪৭ বছর ২৫৭ দিন।
দ্বিতীয় উইকেটে টিম লিডের সঙ্গে
গড়েছিলেন ১৪ রানের জুটি। দুজনের
বয়সের ব্যবধান ছিল ১৯ বছর।
১৯৯৩ সালের মার্চে পুনেতে
ভারতের বিপক্ষে জিম্বাবুয়ের জন
ট্রাইকস-ডেভিড ব্রেইন দশম উইকেটে
গড়েছিলেন ১৭ রানের জুটি।
ট্রাইকসের বয়স ছিল সেদিন ৪৫ বছর ৩১২
দিন, দুজনের বয়সের ব্যবধান ছিল ১৬
বছর।
অধিনায়ক মুশফিকের প্রশংসায় বিসিবি প্রেসিডেন্ট
মুশফিকের ব্যাটিং নিয়ে
কারো মনেই কোন প্রশ্ন নেই। কিন্তু
নানা সময়ে সমালোচিত হয়েছে
রক্ষণাত্মক অধিনায়কত্ব। কয়েকদিন
আগেই বিসিবি প্রেসিডেন্ট
বলেছিলেন মুশফিকের অধিনায়কত্ব
নিয়ে চিন্তায় বিসিবি। কিন্তু
গতকাল(শনিবার) তার মুখে ঝরলো
মুশফিকের অধিনায়কত্বের প্রশংসা।
সাংবাদিকদের নাজমুল হাসান বলেন,
‘এখন পর্যন্ত আমাদের যে কয়টি সাফল্য,
তার বেশির ভাগই মুশফিকের
অধিনায়কত্বে। ওর অধিনায়কত্ব নিয়ে
আমরা চিন্তিত নই।’
ভাল বিকল্প না থাকায় এ বছর নতুন
কাউকে টেস্ট অধিনায়কত্ব দেওয়ার
সম্ভাবনা নেই বলেও জানিয়েছেন
তিনি, ‘এ বছরের মধ্যে মুশফিকের
অধিনায়কত্ব পরিবর্তনের কোনো
সম্ভাবনা নেই। মুশফিকের চেয়ে
ভালো বিকল্পও এ মুহূর্তে আমাদের
হাতে নেই।’
Monday, April 27, 2015
টেস্ট সিরিজ জিতলে যা পাবে বাংলাদেশ!
পাকিস্তানের বিপক্ষে
আগে একবারও টেস্ট জয়ের স্বাদ
পায়নি বাংলাদেশ দল। তাই, খুলনার
শেষ আবু নাসের স্টেডিয়ামে
মঙ্গলবার থেকে শুরু হওয়া টেস্ট সিরিজ
জিতলে বড় একটা ইতিহাসই গড়ে
ফেলবে মুশফিকুর রহিমের দল।
এর বাইরেও বড় অর্জনের হাতছানি
আছে বাংলাদেশের সামনে। আর
সেটা হল র্যাংকিংয়ে।
পাকিস্তানের সাথে টেস্ট সিরিজ ড্র
করলেই রেটিং পয়েন্ট পাঁচ বেড়ে
যাবে সাকিব-মুশফিকদের।
বাংলাদেশের কাছে ১-০ ব্যবধানে
টেস্ট সিরিজ হারলে পাকিস্তান
পয়েন্ট কমে হবে ৯৬। আর ২-০ ব্যবধানে
সিরিজ জিতলে মিসবাহ-উল-হকের
দলের রেটিং পয়েন্ট শুধু এক বাড়বে।
বর্তমানে ৩২ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে
টেস্ট র্যাংকিংয়ে নবম স্থানে আছে
বাংলাদেশ। ৭৬ পয়েন্ট নিয়ে ওয়েস্ট
ইন্ডিজ আছে অষ্টম স্থানে। আর ১৮
পয়েন্ট নিয়ে জিম্বাবুয়ে আছে সবার
নীচে।
Sunday, April 26, 2015
ক্রিকেটই আর ভাল লাগছিলো না তামিমের!
যেকোন খেলায় সাফল্যের
মূলমন্ত্র হচ্ছে খেলাটাকে উপভোগ করা,
আনন্দ নিয়ে খেলা। এই উপভোগ করার
ব্যপারটা না থাকলে সেটাতে সফল
হওয়া কঠিন। আর বাজে ফর্মে
থাকাকালীন ঢালাও সমালোচনায়
কষ্ট পেয়ে ক্রিকেটকে উপভোগ করার
আনন্দটাই হারিয়ে ফেলছিলেন
তামিম! প্রথম আলোকে দেওয়া
সাক্ষাৎকারে এ ব্যাপারে তামিম
বলেন, ‘বিশ্বাস করেন, ক্রিকেট
খেলাটাই উপভোগ করছিলাম না আর।’
ফেলে আসা খারাপ সময় সম্পর্কে
তামিম আরো বলেন, ‘আমি কখনোই
আমার খারাপ সময়টা ভুলতে চাই না।
আমি জানি ওই সময় আমার কেমন
লেগেছে। এখন থেকে যখনই ব্যাটিং
করতে যাব, খারাপ সময়টা মাথায়
থাকবে। ব্যাটিং করতে নেমে সব সময়
নিজেকে একটা কথা বলি—আমি কী
পার হয়ে এসেছি। একটা রান করাকে
মনে হতো এক শ রান করার সমান।’
খারাপ সময়ের সেই দুঃসহ স্মৃতি যদি
তামিমের মধ্যে জেদের এই আগুন
জ্বালিয়ে রাখে তবে আখেরে
লাভবান হবে বাংলাদেশই!
অন্যের ব্যাট–প্যাড দিয়ে খেলেই আজকের নাসির
নাসির হোসেন, বর্তমান সময়ে অন্যতম
জনপ্রিয় ক্রিকেট তারকা। মাঠে,
মাঠের বাইরে নানা দুষ্টমিতে
মাতিয়ে রাখেন চারপাশটাকে।
সম্প্রতি কথা হলো নাসিরের সঙ্গে।
দীর্ঘ আলাপচারিতায় উঠে এল নানা
গল্প। এ সাক্ষাত্কারে তুলে ধরা হলো
অন্য এক নাসিরকে।
সংগ্রামী জীবনের গল্প
কষ্ট ছাড়া কোনো কিছুই পাওয়া যায়
না, সে যে পেশাতেই থাকুন না কেন।
আমিও অনেক কষ্ট করেছি। থাক, বাদ
দেন...সুখে আছি, সুখেই থাকি। কেন
কষ্টের কথা টেনে আনা? (একটু থেমে)
যা হোক, শুরু থেকে ক্রিকেট খেলতে
বাড়ি থেকে ওভাবে সমর্থন পেতাম
না। বাসা থেকে কিছু চাইলেও
সেটা দিতে পারত না।
ক্রিকেটারদের তো কেবল কেডস
কিনলেই হয় না। আমার বয়স তখন ১২ বছর,
একেকটা ব্যাটের দাম তখনই ছিল ১০-১২
হাজার টাকা। সবার পক্ষে এত দাম
দিয়ে ব্যাট কিনে দেওয়া সম্ভব নয়।
একেকটা জুতার দাম ছিল পাঁচ হাজার
টাকা। অনেক কষ্ট করেছি তখন। ওই সময়
খেলতাম অন্যের দেওয়া ব্যাট-প্যাড
দিয়ে। প্রথম তিন-চার বছর এভাবেই
খেলেছি।
আমুদে জীবন-যাপন
পারিবারিকভাবেই আমরা একটু আনন্দ-
মজা করতে পছন্দ করি। আমার জীবন-
যাপনেও এটার বিরাট প্রভাব।
ফটোগ্রাফি নিয়ে বিশেষ শখ
ছবি তোলার বাতিক আছে আমার। এ
কারণে বিশ্বকাপ থেকে ফেরার সময়
একটা ডিএসএলআর ক্যামেরা কিনে
ফেলেছি। তবে অন্যের ছবি তুলতে নয়,
ক্যামেরাটা কিনেছি নিজের ছবি
তুলতেই।
যে স্বপ্নটা বুকে সযতনে লুকিয়ে
রেখেছি
আমার স্বপ্ন খুব একটা বড় নয়। স্বপ্ন দেখি,
রংপুরে একটা বাড়ি বানাব। বাড়িটা
কেমন হবে? সেটা টিনের হতে পারে,
ইটের কিংবা প্লাস্টিকের হতে
পারে (হাসি)! তবে একটা দারুণ বাড়ি
আমি বানাবই। সেটা হবে একেবারেই
ভিন্ন ধরনের।
আলাদিনের চেরাগ পেয়ে গেলে যে
তিনটি ইচ্ছার কথা বলবেন দৈত্যকে
১. স্মৃতিতে যা কিছু আছে, সব মুছে
দিতে বলব। একটা ফ্রেশ মুড চাই।
২. ক্রিকেটে বাংলাদেশ কখনো
হারবে না।
৩. একজন ভালো মানুষ হওয়া। সব দিক
দিয়েই ভালো হতে চাই।
বিয়ে নিয়ে ভাবনা
দুই-তিন বছর পর বিয়ে করার ইচ্ছা আছে।
পাত্রী হিসেবে কেমন মেয়ে পছন্দ?
আমার পরিবারের সঙ্গে মানিয়ে
নিতে পারবে, আমার ক্রিকেটার
পরিচয়কে নয়, ব্যক্তি নাসিরকে
ভালোবাসবে, পাত্রী হিসেবে এমন
মেয়েই পছন্দ। অনেক সাধারণ একটা
মেয়ে হবে। একেবারে সাদাসিধা।
অনেক হাসি-খুশি থাকবে। আমার
মতোই ইয়ার্কি-ফাজলামো পছন্দ করবে।
কোনো মেয়ে কখনো ঝড় তুলেছিল
বুকে?
ছেলেবেলায় নিজের অজান্তে কত
কিছুই তো হয়! থাক এ পর্যন্তই...।
প্রেম-ভালোবাসা বলতে কী
বোঝেন?
বাকওয়াজ! উমম...প্রেম-ভালোবাসা
মানে...উমম...ভালোবাসা বলতে বুঝি,
আমি কাউকে যে পরিমাণ
ভালোবাসি, সে-ও আমাকে একই
পরিমাণ ভালোবাসবে।
ভালোবাসার আদান-প্রদানটা সমান
হলেই কেবল প্রেমটা জমে ওঠে। প্রেম-
ভালোবাসা হবে তার সঙ্গেই, যার
সঙ্গে সময় কাটাতে, সব কিছু শেয়ার
করতে ভালো লাগে।
যে ঘটনা বেশি আনন্দ দেয়
আমার জীবনের প্রতিটা মুহূর্তই
আনন্দের। তবে বিকেএসপি জীবনটা খুব
মিস করি। রংপুর অনেক মিস করি। যখনই
সময় পাই রংপুরে ছুটে যাই।
যে ঘটনা বেশি কষ্ট দেয়
নিজে যখন খারাপ খেলি বা
বাংলাদেশ দল হেরে যায়, ভীষণ কষ্ট
লাগে। পরিবার থেকে সবসময় দূরে
থাকতে হয়। সে কারণেও খারাপ
লাগে। আমার বড় আম্মাকে খুব মিস
করি। ছেলেবেলায় তাঁকে
হারিয়েছি। তাঁর চলে যাওয়াটা
ভীষণ কষ্ট দেয়। ছোটবেলায় পড়াশোনা
ফাঁকি দিয়ে কেবল খেলাই করতাম। এ
কারণে বাড়িতে প্রচুর বকা খেতে
হতো। তখন আমাকে বাঁচাত বড় আম্মা।
যা
ভালো লাগে
বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে আড্ডা মারতে
ভীষণ পছন্দ করি। ঘুরে বেড়াতে, মাছ
ধরতে পছন্দ করি। মানুষকে হাসাতে
ভালো লাগে, নিজেও হাসতে
ভালো লাগে।
ক্রিকেটের বাইরের জীবন
একদম সাধারণ, আর দশটা মানুষের মতোই।
একটু নিরাপদে থাকার চেষ্টা করি।
তবে আর দশটা মানুষের মতো রাস্তা-
ঘাটে চাইলেও চলতে পারি না।
ক্রিকেটার না হলে
আসলে বলাটা কঠিন। তবে ডাক্তার-
ইঞ্জিনিয়ার বা এমন কিছু হতে হবে
সে চিন্তা ছিল না। তবে ক্রিকেটার
হওয়ার চিন্তাটা এসেছে ১৫-১৬ বছর পর;
বিকেএসপিতে ভর্তি হওয়ার পর।
আপনাকে নিয়ে অনেকের প্রেমের
গুঞ্জন
মানুষ আসলে আমাদের সঙ্গে ওভাবে
মেশে না। তাই অনেক কিছুই অনুমানের
ভিত্তিতে বলে। আবার অনেকেই
ঈর্ষাকাতর হয়ে বলে। এসব গুঞ্জনে কান
না দেওয়াই যুক্তিযুক্ত। মানুষ অনেক
কিছুই বলবে। আমি এগুলো গায়ে মাখি
না। ইতিবাচক হোক, নেতিবাচক হোক,
মানুষ আমাকে নিয়ে যতই আলোচনা
করে, ততই ভালো লাগে! তখন মনে হয়,
মানুষের মনে অন্তত আছি।