পাকিস্তানের বিপক্ষে
আগে একবারও টেস্ট জয়ের স্বাদ
পায়নি বাংলাদেশ দল। তাই, খুলনার
শেষ আবু নাসের স্টেডিয়ামে
মঙ্গলবার থেকে শুরু হওয়া টেস্ট সিরিজ
জিতলে বড় একটা ইতিহাসই গড়ে
ফেলবে মুশফিকুর রহিমের দল।
এর বাইরেও বড় অর্জনের হাতছানি
আছে বাংলাদেশের সামনে। আর
সেটা হল র্যাংকিংয়ে।
পাকিস্তানের সাথে টেস্ট সিরিজ ড্র
করলেই রেটিং পয়েন্ট পাঁচ বেড়ে
যাবে সাকিব-মুশফিকদের।
বাংলাদেশের কাছে ১-০ ব্যবধানে
টেস্ট সিরিজ হারলে পাকিস্তান
পয়েন্ট কমে হবে ৯৬। আর ২-০ ব্যবধানে
সিরিজ জিতলে মিসবাহ-উল-হকের
দলের রেটিং পয়েন্ট শুধু এক বাড়বে।
বর্তমানে ৩২ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে
টেস্ট র্যাংকিংয়ে নবম স্থানে আছে
বাংলাদেশ। ৭৬ পয়েন্ট নিয়ে ওয়েস্ট
ইন্ডিজ আছে অষ্টম স্থানে। আর ১৮
পয়েন্ট নিয়ে জিম্বাবুয়ে আছে সবার
নীচে।
Popular Posts
-
১/মুশফিকুর রহিম (অধিনায়ক) ২/তামিম ইকবাল (সহ-অধিনায়ক) ৩/ইমরুল কায়েস ৪/লিটন কুমার দাস ৫/মুমিনুল হক, ৬/সাকিব আল হাসান ৭/মাহমুদউল্লাহ ৮/শ...
-
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের যাত্রা শুরুর সাক্ষী হয়ে আছেন ইমরান খান। বাংলাদেশের ওয়ানডে অভিষেকের দিন পাকিস্তান অধিনায়ক নাকি বাংলা...
-
১। তামিম ইকবাল ২। সৌম্য সরকার ৩। লিটন কুমার দাস ৪। সাকিব আল হাসান ৫। মুশফিকুর রহিম ৬। সাব্বির রহমান ৭। নাসির হোসেন ৮। মাশরাফি বিন মুর...
-
বাংলাদেশ vs পাকিস্তান এর মধ্যকার সিরিজ এ ইতিমধ্যে পাকিস্তান তাদের স্কোয়াড তালিকা দিয়ে দিছে। এবার বাংলাদেশ এর সম্ভাব্য টেস্ট ,ওয়ানড...
-
এই তো বছর পাঁচেক আগের কথা। জেলা পর্যায়ে অনূর্ধ্ব-১৬ ক্রিকেট খেলায় সাতক্ষীরার হয়ে প্রথম মাঠে নেমেছিলেন মুস্তাফিজুর রহমান। প্রতিপক্ষ ম...
-
নাসির হোসেন, বর্তমান সময়ে অন্যতম জনপ্রিয় ক্রিকেট তারকা। মাঠে, মাঠের বাইরে নানা দুষ্টমিতে মাতিয়ে রাখেন চারপাশটাকে। সম্প্রতি কথা হলো না...
-
১৯৮৩ সালে ১৮৩ রান করেও বিশ্বকাপের ফাইনাল জিতে গিয়েছিল। প্রথম ইনিংস শেষ হবার পরও যে, নিউজিল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বকাপ ফাইনালে সামান্য ক...
-
ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে বেশী রান, শতক, অর্ধশতক, চার ও ছক্কার মালিক এখন তামিম ইকবাল! ১৪৩ ওয়ানডে ম্যাচে তার মোট রান ৪৩৭৩। দ...
-
Today at 2:30 pm. Plz like our facebook fan page www.facebook.com/StadiumZone
-
১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৯ মার্চ—প্রায় দেড় মাসের বিশ্বকাপ উৎসবের পর্দা নামল গতকালই। এবার বিশ্বকাপে কেবল ‘অতিথি’ হতে যায়নি বাংলাদেশ। বরং অনে...
Popular Posts
Monday, April 27, 2015
টেস্ট সিরিজ জিতলে যা পাবে বাংলাদেশ!
Sunday, April 26, 2015
ক্রিকেটই আর ভাল লাগছিলো না তামিমের!
যেকোন খেলায় সাফল্যের
মূলমন্ত্র হচ্ছে খেলাটাকে উপভোগ করা,
আনন্দ নিয়ে খেলা। এই উপভোগ করার
ব্যপারটা না থাকলে সেটাতে সফল
হওয়া কঠিন। আর বাজে ফর্মে
থাকাকালীন ঢালাও সমালোচনায়
কষ্ট পেয়ে ক্রিকেটকে উপভোগ করার
আনন্দটাই হারিয়ে ফেলছিলেন
তামিম! প্রথম আলোকে দেওয়া
সাক্ষাৎকারে এ ব্যাপারে তামিম
বলেন, ‘বিশ্বাস করেন, ক্রিকেট
খেলাটাই উপভোগ করছিলাম না আর।’
ফেলে আসা খারাপ সময় সম্পর্কে
তামিম আরো বলেন, ‘আমি কখনোই
আমার খারাপ সময়টা ভুলতে চাই না।
আমি জানি ওই সময় আমার কেমন
লেগেছে। এখন থেকে যখনই ব্যাটিং
করতে যাব, খারাপ সময়টা মাথায়
থাকবে। ব্যাটিং করতে নেমে সব সময়
নিজেকে একটা কথা বলি—আমি কী
পার হয়ে এসেছি। একটা রান করাকে
মনে হতো এক শ রান করার সমান।’
খারাপ সময়ের সেই দুঃসহ স্মৃতি যদি
তামিমের মধ্যে জেদের এই আগুন
জ্বালিয়ে রাখে তবে আখেরে
লাভবান হবে বাংলাদেশই!
অন্যের ব্যাট–প্যাড দিয়ে খেলেই আজকের নাসির
নাসির হোসেন, বর্তমান সময়ে অন্যতম
জনপ্রিয় ক্রিকেট তারকা। মাঠে,
মাঠের বাইরে নানা দুষ্টমিতে
মাতিয়ে রাখেন চারপাশটাকে।
সম্প্রতি কথা হলো নাসিরের সঙ্গে।
দীর্ঘ আলাপচারিতায় উঠে এল নানা
গল্প। এ সাক্ষাত্কারে তুলে ধরা হলো
অন্য এক নাসিরকে।
সংগ্রামী জীবনের গল্প
কষ্ট ছাড়া কোনো কিছুই পাওয়া যায়
না, সে যে পেশাতেই থাকুন না কেন।
আমিও অনেক কষ্ট করেছি। থাক, বাদ
দেন...সুখে আছি, সুখেই থাকি। কেন
কষ্টের কথা টেনে আনা? (একটু থেমে)
যা হোক, শুরু থেকে ক্রিকেট খেলতে
বাড়ি থেকে ওভাবে সমর্থন পেতাম
না। বাসা থেকে কিছু চাইলেও
সেটা দিতে পারত না।
ক্রিকেটারদের তো কেবল কেডস
কিনলেই হয় না। আমার বয়স তখন ১২ বছর,
একেকটা ব্যাটের দাম তখনই ছিল ১০-১২
হাজার টাকা। সবার পক্ষে এত দাম
দিয়ে ব্যাট কিনে দেওয়া সম্ভব নয়।
একেকটা জুতার দাম ছিল পাঁচ হাজার
টাকা। অনেক কষ্ট করেছি তখন। ওই সময়
খেলতাম অন্যের দেওয়া ব্যাট-প্যাড
দিয়ে। প্রথম তিন-চার বছর এভাবেই
খেলেছি।
আমুদে জীবন-যাপন
পারিবারিকভাবেই আমরা একটু আনন্দ-
মজা করতে পছন্দ করি। আমার জীবন-
যাপনেও এটার বিরাট প্রভাব।
ফটোগ্রাফি নিয়ে বিশেষ শখ
ছবি তোলার বাতিক আছে আমার। এ
কারণে বিশ্বকাপ থেকে ফেরার সময়
একটা ডিএসএলআর ক্যামেরা কিনে
ফেলেছি। তবে অন্যের ছবি তুলতে নয়,
ক্যামেরাটা কিনেছি নিজের ছবি
তুলতেই।
যে স্বপ্নটা বুকে সযতনে লুকিয়ে
রেখেছি
আমার স্বপ্ন খুব একটা বড় নয়। স্বপ্ন দেখি,
রংপুরে একটা বাড়ি বানাব। বাড়িটা
কেমন হবে? সেটা টিনের হতে পারে,
ইটের কিংবা প্লাস্টিকের হতে
পারে (হাসি)! তবে একটা দারুণ বাড়ি
আমি বানাবই। সেটা হবে একেবারেই
ভিন্ন ধরনের।
আলাদিনের চেরাগ পেয়ে গেলে যে
তিনটি ইচ্ছার কথা বলবেন দৈত্যকে
১. স্মৃতিতে যা কিছু আছে, সব মুছে
দিতে বলব। একটা ফ্রেশ মুড চাই।
২. ক্রিকেটে বাংলাদেশ কখনো
হারবে না।
৩. একজন ভালো মানুষ হওয়া। সব দিক
দিয়েই ভালো হতে চাই।
বিয়ে নিয়ে ভাবনা
দুই-তিন বছর পর বিয়ে করার ইচ্ছা আছে।
পাত্রী হিসেবে কেমন মেয়ে পছন্দ?
আমার পরিবারের সঙ্গে মানিয়ে
নিতে পারবে, আমার ক্রিকেটার
পরিচয়কে নয়, ব্যক্তি নাসিরকে
ভালোবাসবে, পাত্রী হিসেবে এমন
মেয়েই পছন্দ। অনেক সাধারণ একটা
মেয়ে হবে। একেবারে সাদাসিধা।
অনেক হাসি-খুশি থাকবে। আমার
মতোই ইয়ার্কি-ফাজলামো পছন্দ করবে।
কোনো মেয়ে কখনো ঝড় তুলেছিল
বুকে?
ছেলেবেলায় নিজের অজান্তে কত
কিছুই তো হয়! থাক এ পর্যন্তই...।
প্রেম-ভালোবাসা বলতে কী
বোঝেন?
বাকওয়াজ! উমম...প্রেম-ভালোবাসা
মানে...উমম...ভালোবাসা বলতে বুঝি,
আমি কাউকে যে পরিমাণ
ভালোবাসি, সে-ও আমাকে একই
পরিমাণ ভালোবাসবে।
ভালোবাসার আদান-প্রদানটা সমান
হলেই কেবল প্রেমটা জমে ওঠে। প্রেম-
ভালোবাসা হবে তার সঙ্গেই, যার
সঙ্গে সময় কাটাতে, সব কিছু শেয়ার
করতে ভালো লাগে।
যে ঘটনা বেশি আনন্দ দেয়
আমার জীবনের প্রতিটা মুহূর্তই
আনন্দের। তবে বিকেএসপি জীবনটা খুব
মিস করি। রংপুর অনেক মিস করি। যখনই
সময় পাই রংপুরে ছুটে যাই।
যে ঘটনা বেশি কষ্ট দেয়
নিজে যখন খারাপ খেলি বা
বাংলাদেশ দল হেরে যায়, ভীষণ কষ্ট
লাগে। পরিবার থেকে সবসময় দূরে
থাকতে হয়। সে কারণেও খারাপ
লাগে। আমার বড় আম্মাকে খুব মিস
করি। ছেলেবেলায় তাঁকে
হারিয়েছি। তাঁর চলে যাওয়াটা
ভীষণ কষ্ট দেয়। ছোটবেলায় পড়াশোনা
ফাঁকি দিয়ে কেবল খেলাই করতাম। এ
কারণে বাড়িতে প্রচুর বকা খেতে
হতো। তখন আমাকে বাঁচাত বড় আম্মা।
যা
ভালো লাগে
বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে আড্ডা মারতে
ভীষণ পছন্দ করি। ঘুরে বেড়াতে, মাছ
ধরতে পছন্দ করি। মানুষকে হাসাতে
ভালো লাগে, নিজেও হাসতে
ভালো লাগে।
ক্রিকেটের বাইরের জীবন
একদম সাধারণ, আর দশটা মানুষের মতোই।
একটু নিরাপদে থাকার চেষ্টা করি।
তবে আর দশটা মানুষের মতো রাস্তা-
ঘাটে চাইলেও চলতে পারি না।
ক্রিকেটার না হলে
আসলে বলাটা কঠিন। তবে ডাক্তার-
ইঞ্জিনিয়ার বা এমন কিছু হতে হবে
সে চিন্তা ছিল না। তবে ক্রিকেটার
হওয়ার চিন্তাটা এসেছে ১৫-১৬ বছর পর;
বিকেএসপিতে ভর্তি হওয়ার পর।
আপনাকে নিয়ে অনেকের প্রেমের
গুঞ্জন
মানুষ আসলে আমাদের সঙ্গে ওভাবে
মেশে না। তাই অনেক কিছুই অনুমানের
ভিত্তিতে বলে। আবার অনেকেই
ঈর্ষাকাতর হয়ে বলে। এসব গুঞ্জনে কান
না দেওয়াই যুক্তিযুক্ত। মানুষ অনেক
কিছুই বলবে। আমি এগুলো গায়ে মাখি
না। ইতিবাচক হোক, নেতিবাচক হোক,
মানুষ আমাকে নিয়ে যতই আলোচনা
করে, ততই ভালো লাগে! তখন মনে হয়,
মানুষের মনে অন্তত আছি।
Saturday, April 25, 2015
প্রথম টেস্টে বাংলাদেশ দল
১/মুশফিকুর রহিম (অধিনায়ক)
২/তামিম ইকবাল (সহ-অধিনায়ক)
৩/ইমরুল কায়েস
৪/লিটন কুমার দাস
৫/মুমিনুল হক,
৬/সাকিব আল হাসান
৭/মাহমুদউল্লাহ
৮/শুভাগত হোম চৌধুরী,
৯/সৌম্য সরকার,
১০/তাইজুল ইসলাম,
১১/জুবায়ের হোসেন,
১২/রুবেল হোসেন
১৩/শাহাদাত হোসেন
১৪/মোহাম্মদ শহীদ।
কল্পনাও করেননি ইমরান খান
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে
বাংলাদেশের যাত্রা শুরুর সাক্ষী
হয়ে আছেন ইমরান খান।
বাংলাদেশের ওয়ানডে
অভিষেকের দিন পাকিস্তান
অধিনায়ক নাকি বাংলাদেশ
অধিনায়ক গাজী আশরাফ হোসেনকে
বলেছিলেন, ‘মাঠে গিয়ে টস করার
কী দরকার, এখানেই সেরে ফেলি।’
আশরাফ দৃঢ়তার সঙ্গে সেই অবজ্ঞা
প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। আশরাফ
নিশ্চয়ই জানতেন, একদিন ছবিটা
পাল্টে যাবে।
সেই ইমরান খান বিস্ময়ে হতবাক!
প্রথমে প্রথমে যেন ভাষা খুঁজে
পাচ্ছিলেন না। টি-টোয়েন্টিতেও
উত্তরসূরিদের ধরাশায়ী হওয়ার খবর
তখনো তাঁর কাছে পৌঁছায়নি। তার
আগে ওয়ানডের বাংলাওয়াশ নিয়ে
বলেছেন, ‘জীবনেও ভাবিনি
পাকিস্তান কোনো দিন
বাংলাদেশের কাছে ৩-০তে
হারবে, র্যাঙ্কিংয়ের আট নম্বরে
নেমে যাবে।’
পাকিস্তানের শীর্ষ দৈনিক ডনকে
দেওয়া সাক্ষাৎকারে এরপর ক্রিকেট
বোর্ডকে পুরো ধুয়ে দিয়েছেন
দেশটির বিরোধী দলীয় নেতা।
কিন্তু কোথাও বাংলাদেশের জন্য
প্রশংসা করেননি। পাকিস্তানের
ক্রিকেট বোর্ডে স্বজনপ্রীতির
অভিযোগ তুলে বিশ্বকাপজয়ী
অধিনায়ক বলেছেন, ‘যোগ্যতার বদলে
স্রেফ স্বজনপ্রীতির কারণে আসা
লোকদের দিয়ে যতদিন বোর্ড চলবে,
পাকিস্তানের ক্রিকেটের কোনো
উন্নতি হবে না। দুঃখজনক ব্যাপার
হলো এ দেশে ক্রিকেট যারা
চালায়, ক্রিকেট সম্পর্কে তাদের
কোনো ধারণাই নেই।’
পাকিস্তানের ক্রিকেটের নীতি
নির্ধারকদের দুর্বলতার উদাহরণ দিয়ে
বলেছেন, ‘এই মুহূর্তে পাকিস্তানের
সেরা ব্যাটসম্যান মিসবাহ-উল-হক।
তাকে জাতীয় দলে প্রথম সুযোগ
দেওয়া হয়েছে ৩৪ বছর বয়সে।
মোহাম্মদ ইরফান সুযোগ পেয়েছে ৩০
বছর বয়সে। যেসব বয়সে
খেলোয়াড়েরা অবসরের কথা
ভাবে। এর থেকেই বোঝা যায়
পাকিস্তানের ক্রিকেট পরিচালনা
ব্যবস্থা কতটা দুর্বল।
পাকিস্তানের ক্রিকেটের উন্নয়নের
জন্য অস্ট্রেলিয়ার ঘরোয়া
অবকাঠামো অনুসরণের পরামর্শও
দিয়েছেন, ‘ঘরোয়া ক্রিকেটে
অস্ট্রেলিয়ার মাত্র ছয়টি দল। দেশের
সব খেলোয়াড়কে সেই ছয় দলের
মধ্যেই জায়গা করে নিতে হয় বলে
ঘরোয়া ক্রিকেটেই জায়গা পাওয়ার
জন্য প্রতিযোগিতাটা তীব্র হয়। এ
কারণে এত বেশি ভালো মানের
ক্রিকেটার বেরিয়ে আসে। অন্য
দিকে পাকিস্তানে আছে ২০টি দল।’
পাকিস্তানে প্রতিভার কোনো
কমতি নেই বলে মনে করেন তিনি।
ঘরোয়া ক্রিকেটের দুর্বলতার
কারণেই সেই প্রতিভা বিকশিত হচ্ছে
না। এ ছাড়া যত দ্রুত সম্ভব
পাকিস্তানে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট
ফিরিয়ে আনারও দাবি জানান
ইমরান।
নতুন বিস্ময়ের উঠে আসার গল্প
এই তো বছর পাঁচেক আগের কথা।
জেলা পর্যায়ে অনূর্ধ্ব-১৬ ক্রিকেট
খেলায় সাতক্ষীরার হয়ে প্রথম মাঠে
নেমেছিলেন মুস্তাফিজুর রহমান।
প্রতিপক্ষ মাগুরা জেলার দল। প্রথম
দিনই আগুন ঝরল তাঁর বলে। পেলেন দুই
উইকেট। খেলা চলাকালে স্থানীয়
কোচ আলতাফ হোসেন ফোন করে
মুস্তাফিজের বড় ভাই মোখলেসুর
রহমানকে বাগেরহাটে ডেকে নেন।
আলতাফ ফোনে বলেন, মুস্তাফিজ
দারুণ খেলছে। তাঁকে আসতেই হবে।
মাঠে বসে মোখলেসুরও দেখলেন
ছোট ভাইয়ের দুর্দান্ত বোলিং।
দেখে মুগ্ধ হলেন তিনি।
মুস্তাফিজের তখন আবদার ছিল
একজোড়া নতুন জুতার। মোখলেসুর কথা
দিলেন, পরের ম্যাচে তিন উইকেট
নিতে পারলে ছোট ভাইটির আবদার
পূরণ করা হবে। মুস্তাফিজ তাঁর
নিশানা ভেদ করলেন। কুষ্টিয়ার
বিরুদ্ধে পরের ম্যাচে ঝোলায়
পুরলেন তিন উইকেট। মোখলেসুর পরদিন
সানন্দে খুলনা শহর থেকে
মুস্তাফিজকে কিনে দেন একজোড়া
স্পাইক বুট। মুস্তাফিজের আনন্দ যেন আর
ধরে না।
বয়সভিত্তিক এই জেলা পর্যায়ের
টুর্নামেন্টটির বাছাই পর্বেই
ঘটেছিল বেশ মজার এক ঘটনা।
মোখলেসুরের বাইকে চেপে
সাতক্ষীরার সরকারি কলেজ মাঠে
বোলিংয়ের পরীক্ষা দিতে
এসেছেন মুস্তাফিজ। মুস্তাফিজ একা
নন, এসেছে আরও অনেক উঠতি তরুণ।
আশঙ্কায় খানিকটা কুঁকড়ে গেলেন
তিনি। তাঁর মনে হয়েছিল, এত
প্রার্থীর ভিড়ে পরীক্ষাই বুঝি
দিতে পারবেন না। অবশেষে পালা
আসে তাঁর। কিন্তু হালকা টেনিস
বলে খেলে অভ্যস্ত মুস্তাফিজ কাঠের
বল হাতে প্রথমেই ঘটালেন বিপত্তি।
প্রথম কয়েকটি বল ঠিকঠাক মতো
পিচেই ফেলতে পারলেন না। দৌড়ে
এলেন বড় ভাই মোখলেস। খানিকক্ষণ
সাহস দিলেন ছোট ভাইকে। তারপর
আর আর পিছু ফেরা নয়। একের পর এক
দুর্দান্ত বল করে তিনি তাক
লাগিয়ে দিলেন নির্বাচকদের। একদম
গত ম্যাচটার মতোই। অভিষেক ম্যাচের
প্রথম ওভারেই মাশরাফি বল তুলে
দিলেন তাঁর হাতে। আর প্রথম বলেই
ওয়াইড। কিন্তু তারপরেই তো হয়ে
উঠলেন বিস্ময়! চার ওভারের স্পেলে
ডট বলই ষোলটা। অধিনায়ক আফ্রিদির
দাবিমতো টি-টোয়েন্টি
'স্পেশালিস্ট' দলটির বিপক্ষে এমন
পারফরম্যান্স তো বিস্ময় না
জাগিয়ে পারে না
কে এই নতুন বিস্ময়?
বড় ভাই মোখলেসুরের হাত ধরেই প্রথম
খেলার মাঠে আসা। পড়াশোনায়
অতটা মন তাঁর কখনোই ছিল না।
বাসায় তো বলেই দিয়েছিলেন,
আমার দ্বারা ওসব হবে না। তোমরা
আর জোর করো না। এর পর থেকে
ক্রিকেটই তাঁর ধ্যানজ্ঞান। বড়েয়া
মিলনি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে
নেট প্র্যাকটিস করতেন মুস্তাফিজ।
তাঁর তত্ত্বাবধান করতেন স্থানীয়
কোচ আলতাফ। আলতাফই প্রথম ধরতে
পেরেছিলেন মুস্তাফিজের
ভেতরের ‘ধারটা’। হিরে চিনে
নিয়ে ঘষামাজার কাজটি তিনি শুরু
করে দেন। জেলা পর্যায়ে এসে
মুস্তাফিজকে আরও পরিণত করে তুলতে
পরিশ্রম করেন সাতক্ষীরার জেলা
কোচ মুফাস্সিনুল ইসলাম। এলাকায়
অবশ্য ‘তপু ভাই’ বলে পরিচিত তিনি।
সকলের পরিশ্রমের প্রতিদান দিতে
পেরেছেন মুস্তাফিজ। গত রাতের
ম্যাচে তাঁর পারফরম্যান্সই বলছে সে
কথা।
সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ থানার
তেঁতুলিয়া গ্রামে মুস্তাফিজদের
বাড়ি। বাবা আবুল কাশেম গাজী,
মা মাহমুদা খাতুন। চার ভাইয়ের মধ্যে
সবার ছোট মুস্তাফিজ। কোনো ডাক
নাম নেই তাঁর। বড় ভাই মুখলেস বলেন,
‘নাম ওর একটাই, মুস্তাফিজ।’ ছোট
বেলা থেকেই বাঁ-হাতি তিনি।
এমনকি প্রথম প্রথম নাকি ভাতও
খেতেন বাঁ হাতেই। অনেক চেষ্টায়
এই অভ্যাসটি পাল্টানো গেছে তাঁর।
ছোটবেলা থেকে বাবা-মা আর
বড়দের খুব মেনে চলতেন তিনি।
খেলতে নামার আগেও ভোলেননি
এই আদব-কায়দা। ফোন করে বাবা-মা,
বড় ভাই, স্থানীয় মুরব্বি ও কোচদের
সঙ্গে কথা বলেছেন। সবার দোয়া ও
আশীর্বাদ নিয়েই খেলতে নামেন
তিনি।
তেঁতুলিয়া গ্রাম থেকে সাতক্ষীরা
শহরের দূরত্ব প্রায় ৪০ কিলোমিটার।
প্রায় প্রতিদিনই এতটা পথ পাড়ি
দিয়ে প্র্যাকটিসে যেতেন
মুস্তাফিজ। বড় ভাই মোখলেসুর,
স্থানীয় কোচ আলতাফ ও জেলা কোচ
তপু ভাইয়ের নিয়মিত পরিচর্যায়
মুস্তাফিজ শানিয়ে নিতে থাকেন
নিজের ধার। যেই ধারের কাছে
কচুকাটা হতে থাকে প্রতিপক্ষের
একের পর খেলোয়াড়। জেলা
পর্যায়ের পর খুব বেশি দিন তাঁকে
অপেক্ষা করতে হয়নি। ডাক পেয়ে
যান খুলনার বিভাগীয় দলে খেলার।
বছর তিনেক আগে শেরেবাংলা
স্টেডিয়ামে ফাস্ট বোলিং
ক্যাম্পে ট্রায়াল দিতে এসে
কোচরা আর ছাড়েননি এই
প্রতিভাকে। নিয়মিতই অনূর্ধ্ব-১৯ দলে
খেলেছেন। বল করতেন জাতীয় দলের
নেটেও। গত বছর অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপেও
আলো ছড়িয়েছিলেন এই পেসার।
পেয়েছিলেন বাংলাদেশের পক্ষে
দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নয় উইকেট।
গত বছরের মে মাসে ওয়েস্ট ইন্ডিজ
সফরে বাংলাদেশ ‘এ’ দলেও স্থান
পেয়েছিলেন মুস্তাফিজ।
রীতিমতো চমক ছিলেন তিনি।
প্রধান নির্বাচক ফারুক আহমেদ তখন
সংবাদ মাধ্যমে বলেছিলেন,
‘অনূর্ধ্ব-১৯ দলের সেরা বোলার সে।
হয়তো খুব বেশি ম্যাচ খেলেনি। তবে
দারুণ সম্ভাবনা রয়েছে। তা ছাড়া
আমাদের বাঁ-হাতি পেসারও দরকার।’
মুস্তাফিজ প্রথম শ্রেণিতে খেলা শুরু
করেন গত বছর এপ্রিলে। এই তো ছয় মাস
আগে অভিষেক হয়েছে ঘরোয়া
একদিনের ম্যাচে। প্রথম শ্রেণির
ক্রিকেটে খুলনার হয়ে মাত্র আট
ম্যাচ খেলেই পেয়েছেন ২৩ উইকেট।
গড় ১৮.৯১, ইকোনমিক রেট ২.৬৮। আর
লিস্ট এ-তে আবাহনীর পক্ষে ৫
ম্যাচে উইকেট ১২টি। গড় মাত্র ১১.৭৫,
ইকোনমিক রেট ৩.৪৫। আন্তর্জাতিক
ম্যাচের অভিষেকে তো রীতিমতো
কাঁপন ধরিয়ে দিলেন পাকিস্তানি
ব্যাটসম্যানদের। প্রথম ২ ওভারে
দিয়েছিলেন মাত্র ৪ রান। পুরো
স্পেল শেষে ২০ রান খরচ করে
নিয়েছেন দুইটি উইকেট। সাজঘরে
ফিরিয়েছেন শহীদ আফ্রিদি ও
মোহাম্মদ হাফিজের মতো দুজন
ব্যাটসম্যানকে। বাংলাদেশ দলে
বাঁ-হাতি একজন দুর্দান্ত পেসারের
ক্ষুধাটা বেশ পুরোনো। অভিষেক
ম্যাচের চোখ ধাঁধানো পারফরম্যান্স
তাই ‘নতুন দিনের বাংলাদেশ’ দলে
ভিন্ন এক মাত্রা যোগ করবে বলেই
পূর্বাভাস দিচ্ছে।
টেস্ট দলে সৌম্য-লিটন- শহীদ
ম্যাচ না খেললেও কালকের টি-
টোয়েন্টি ম্যাচের স্কোয়াডে
ছিলেন লিটন কুমার দাস। সৌম্য
সরকারের তো এই ম্যাচে টি-
টোয়েন্টি অভিষেকই হয়ে গেল, এর
আগে খেলে ফেলেছেন ১০টা
ওয়ানডেও। কাল ঘোষিত প্রথম
টেস্টের দলে এই দুজনের সঙ্গে আছেন
পেস বোলার মোহাম্মদ শহীদ। ২৮
এপ্রিল থেকে খুলনার শেখ আবু
নাসের স্টেডিয়ামে শুরু হতে যাওয়া
প্রথম টেস্টের দলে নতুন মুখ এই তিনজনই।
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সর্বশেষ টেস্ট
সিরিজের স্কোয়াডে থাকা
পাঁচজন নেই দলে—শামসুর রহমান,
শফিউল ইসলাম, মার্শাল আইয়ুব, আল
আমিন ও এনামুল হক। যে তিন তরুণ দলে
এলেন, তাঁদের মধ্যে চমক বলতে হবে
শহীদকেই। ওয়ানডে সিরিজের
পারফরম্যান্সের পর সৌম্য যে
টেস্টেও সুযোগ পেতে পারেন,
সেটা অনুমান করা যাচ্ছিল। আর
লিটনও বাংলাদেশ দলের
ড্রেসিংরুমে ঢুকে পড়েছেন
কালকের টি-টোয়েন্টি ম্যাচ
দিয়েই।
তারুণ্য আর অভিজ্ঞতার মিশেলে
গড়া দলটাকে ভারসাম্যপূর্ণ বলেছেন
প্রধান নির্বাচক ফারুক আহমেদ, ‘দলে
যারা নতুন এসেছে, ঘরোয়া এবং
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের
পারফরম্যান্স দিয়েই তারা দলে
ঢোকার দাবি জানাচ্ছিল। লম্বা
স্পেলে বল করার সামর্থ্য আছে
শহীদের, প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটেও
সে ধারাবাহিক পারফরমার।’ লিটন
আর সৌম্যর ব্যাপারে তাঁর ব্যাখ্যা,
‘গত কয়েক মৌসুমে অনেক রান
করেছে লিটন। সৌম্যও ওয়ানডেতে
খুব ভালো শুরু করেছে।’ ফারুক অবশ্য
আভাস দিয়েছেন, একাদশে যদি
সুযোগ পানও, হয়তো ওয়ানডের
মতো ওপেনিংয়ে নামা হবে না
সৌম্যর। তবে তাঁর আশা, তরুণ এই
ব্যাটসম্যানের অন্তর্ভুক্তি দলের
ব্যাটিং গভীরতা বাড়াবে।
প্রথম টেস্টের বাংলাদেশ দল:
মুশফিকুর রহিম (অধিনায়ক), তামিম
ইকবাল (সহ-অধিনায়ক), ইমরুল কায়েস,
লিটন কুমার দাস, মুমিনুল হক, সাকিব
আল হাসান, মাহমুদউল্লাহ, শুভাগত
হোম চৌধুরী, সৌম্য সরকার,
তাইজুল ইসলাম, জুবায়ের হোসেন,
রুবেল হোসেন, শাহাদাত হোসেন
ও মোহাম্মদ শহীদ।
ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে জোরালো ভূমিকম্প
রাজধানী ঢাকা, রাজশাহী,
দিনাজপুর, রংপুর, কুষ্টিয়া,
গাইবান্ধাসহ দেশের বিভিন্ন
জায়গায় আজ শনিবার দুপুরে
জোরালো ভূমিকম্প অনুভূত
হয়েছে।
বাংলাদেশ আবহাওয়া
অধিদপ্তরের ভূমিকম্প
পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের পেশাগত
সহকারী (প্রফেশনাল
অ্যাসিস্ট্যান্ট) শহিদুল
হাসানের তথ্যমতে, আজ
বাংলাদেশ সময় দুপুর ১২টা ১১
মিনিট ২৭ সেকেন্ড এ ভূমিকম্প
অনুভূত হয়। ভূমিকম্পের
উৎপত্তিস্থল ঢাকা থেকে ৭৪৫
কিলোমিটার দূরে নেপালে।
রিখটার স্কেল অনুযায়ী
ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থলে এর
তীব্রতা ছিল ৭ দশমিক ৫। তীব্রতা
অনুযায়ী এটি শক্তিশালী
ভূমিকম্প।
বেশ কয়েক সেকেন্ড ধরে
স্থায়ী ভূমিকম্পের সময়
আতঙ্কে লোকজন ঘরবাড়ি ছেড়ে
রাস্তায় নেমে আসে। বেলা
একটা পর্যন্ত ভূমিকম্পে কোনো
ক্ষয়ক্ষতির খবর জানা যায়নি।
Thursday, April 23, 2015
আজকের টি২০ ম্যাচের জন্য বাংলাদেশ একাদশ
১। তামিম ইকবাল
২। সৌম্য সরকার
৩। লিটন কুমার দাস
৪। সাকিব আল হাসান
৫। মুশফিকুর রহিম
৬। সাব্বির রহমান
৭। নাসির হোসেন
৮। মাশরাফি বিন মুর্তজা
৯। আরাফাত সানি
১০। মুস্তাফিজুর রহমান
Wednesday, April 22, 2015
বাংলাওয়াশের ইতিহাস!
এই ফলাফলটাই ছিল সবচেয়ে
বেশি প্রত্যাশিত! আর হলও সেটাই;
আবারও ব্যাট হাতে ঝড় তুললেন তামিম
ইকবাল, সৌম্য সরকার গড়লেন নতুন
ইতিহাস, মুশফিকুর রহিম আবারও
ধারাবাহিক; আর বল হাতে
বোলারদের সম্মীলিত পারফরম্যান্স
তো আছেই। সব মিলিয়ে মিরপুর শেরে
বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম
সাক্ষী হয়ে থাকলো আরেকটি
ইতিহাসের।
৬৩ বল বাকি থাকতে পাকিস্তানের
বিপক্ষে আট উইকেটে জিতে গেল
বাংলাদেশ। ব্যাস, হয়ে গেলো
হোয়াইটওয়াশ। এই নিয়ে দশমবারের মত
কোন দলকে কোন ওয়ানডে সিরিজে
হোয়াইটওয়াশ করলো বাংলাদেশ।
২৫১ রানের লক্ষ্যে তামিম করেছেন ৬৪
রান। তবে, এবার সবচেয়ে বড় ঝড়টা
তুললেন সৌম্য সরকার। ১১০ বলে ১২৭
রানে অপরাজিত ছিলেন ২২ বছর বয়সী
এই তরুণ। আর মুশফিক করেন অপরাজিত ৪৯
রান।
তবে, পাকিস্তানের শুরুটা যে অনেক
ভালো হয়েছিলো, তাতে সন্দেহ নেই।
দ্বিতীয় ওয়ানডের মত আবারও টসে জয়,
উদ্বোধনী জুটিতে ৯১ রান। ১৬তম
ওভারের শেষ বলে সামি আসলামকে
ফিরিয়ে দিয়ে প্রথম ব্রেক থ্রুটা
আনেন নাসির। এ র পরের ওভারে
দ্বিতীয় আঘাত হানেন আরাফাত
সানি; বোল্ড হয়ে সাজ ঘরে ফিরে
যান মোহাম্মদ হাফিজ।
তৃতীয় উইকেটে অধিনায়ক আজহার
আলির সঙ্গে ৯৮ রানের বড় জুটি গড়েন
হারিস সোহেল। এই জুটিতেই
ক্যারিয়ারের তৃতীয় শতক তুলে নেন
অধিনায়ক। ২০১০ সালের পর প্রথমবারের
মত ওয়ানডেতে সেঞ্চুরির দেখা
পেলেন কোন পাকিস্তানি অধিনায়ক।
আর ওয়ানডেতে কোন পাকিস্তানি
অধিনায়কের এটা দশম সেঞ্চুরি।
৩৮ তম ওভারের চতুর্থ বলে আজহার
আলীর বিদায় থেকেই শুরু হয়
পাকিস্তানের যাওয়া-আসার খেলা।
মাত্র ৪৮ রান তুলতেই বাকি আট উইকেট
হারায় সফরকারীরা। আজহার আলি ১০১
রানে আউট হন সাকিব আল হাসানের
বলে। ৪৯তম ওভারে জুনায়েদ খানকে
ফিরিয়ে শেষ আঘাতটি হানেন
আরাফাত সানি। শেষপর্যন্ত ২৫০ রানেই
থামে পাকিস্তানের ইনিংস।
প্রথম দুই ম্যাচে পেসারদের প্রভাব
থাকলেও, সে ম্যাচে বাড়তি সুবিধা
পেয়েছেন স্পিনাররা। স্পিন থেকে
এসেছে পাঁচ উইকেট। বাংলাদেশ
দলের হয়ে সাকিব আল হাসান, রুবেল
হোসেন, আরাফাত সানি ও অধিনায়ক
মাশরাফি বিন মর্তুজা প্রত্যেকে দুইটি
করে উইকেট নিয়েছেন।
সব মিলিয়ে পাকিস্তান এক ওভার
আগে অল আউট হওয়ার আগে করে ২৫০
রান। আর আবারও পাকিস্তানের এই
রানকে অনায়াসে টেক্কা দেয়
বাংলাদেশ। গড়ে ওঠে ইতিহাস!