Popular Posts

Popular Posts

Sunday, May 17, 2015

তখন সাকিবের বয়স মাত্র ৯...

১৯৯৬ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর ভারতের
বিপক্ষে টরন্টোয় আজহার মেহমুদের
যেদিন ওয়ানডে অভিষেক হলো,
সেদিন সাকিব আল হাসান কী
করছিলেন? প্রশ্নটা স্বয়ং সাকিবকে
করলেও সঠিক উত্তর হয়তো পাওয়া
যাবে না। ১৯৯৬ তো দূরে থাক,
সাকিবের নাকি ১৯৯৯ সালের
বিশ্বকাপে নর্দাম্পটনে
পাকিস্তানের বিপক্ষে সেই
ঐতিহাসিক জয়ের কথাটাও ঠিকঠাক
মনে নেই!
কথাটা সাকিব নিজেই
জানিয়েছিলেন গত ১৭ এপ্রিল,
পাকিস্তানের বিপক্ষে ১৬ বছর পর জয়
পাওয়ার পর। হঠাৎ কেন সাকিবের
পুরোনো কাসুন্দি ঘাঁটা? কারণ তো
আছেই। গত রাতে আইপিএলে
কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে সপ্তম
উইকেটে আজহারের সঙ্গে ১০ রানের
ছোট্ট একটা জুটি গড়েছিলেন
বাংলাদেশ অলরাউন্ডার। আজহার-
সাকিব-দুজনের বয়সের ব্যবধান ১২ বছর।
অর্থাৎ ১৯ বছর আগে, আজহারের
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে
অভিষেকের সময় সাকিবের বয়স ছিল
মাত্র ৯। জুটির দুই প্রান্তের
ব্যাটসম্যানের বয়সের এমন বিস্তর
ব্যবধান নিয়ে যাঁরা একটু হলেও
ভেবেছিলেন, তাদের জ্ঞাতার্থে
জানানো যাচ্ছে, ক্রিকেট
ব্যাটিং-জুটির বয়সের পার্থক্য
নেহাতই কম দেখেনি। ইতিহাস
ঘাঁটলে এমন উদাহরণ কিন্তু বেরিয়ে
আসবে বেশ কয়েকটিই।
টেস্ট ক্রিকেটে জুটির বয়সের ব্যবধান
বলতে গেলে প্রথমেই আসবে রোডস-
ভোসের কথা। ‘টাইমলেস টেস্ট যুগে’
অর্থাৎ ১৯৩০ সালের এপ্রিলে ওয়েস্ট
ইন্ডিজের বিপক্ষে ইংলিশ
ক্রিকেটার উইলফ্রেড রোডস যখন ব্যাট
করতে নামেন তখন তাঁর বয়স ছিল ৫২
বছর ১৬৫ দিন। টেস্ট ইতিহাসে
সবচেয়ে বেশি বয়সী খেলোয়াড়
হওয়ার ‘অনন্য গৌরব’টা কিন্তু
রোডসের দখলেই! শেষ উইকেট জুটিতে
রোডসের সঙ্গী ছিলেন ২১ বছর বয়সী
বিল ভোস। দুজনের বয়সের ব্যবধান ছিল
৩১ বছর!
এরপরই আসবেন ডব্লিউ গ্রেস-চার্লস
ফ্রাই। ১৮৯৯ সালের জুনে
অ্যাশেজেতে নটিংহাম টেস্টে
বিখ্যাত ইংলিশ অধিনায়ক ডব্লিউ
গ্রেসের বয়স ছিল ৫০ বছর ৩২০ দিন।
ওপেনিং পার্টনার চার্লস ফ্রাইয়ের
সঙ্গে তাঁর বয়সের ব্যবধান ছিল ২৩ বছর।
পরেরটি অবশ্য অস্ট্রেলীয়দের দখলে,
বার্ট আয়রনমংগার ও হ্যারি
আলেকজান্ডারের। ১৯৩৩ সালের
ফেব্রুয়ারিতে অ্যাশেজে
সিরিজের সিডনি টেস্টে
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে আয়রনমংগার
যখন খেলতে নেমেছিলেন, তখন তাঁর
বয়স ছিল ৫০ বছর ৩২৭ দিন।
অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংসে শেষ
উইকেটে ২৮ বছর বয়সী
আলেকজান্ডারের সঙ্গে ৫ রানের
জুটি গড়েছিলেন আয়রনমংগার।
দুজনের বয়সের ব্যবধান কত দাঁড়াল?
‘বেশি’ না,২২ বছর!
ওয়ানডেতেও রয়েছে এমন কিছু ঘটনা।
এ ক্ষেত্রে সবার ওপরে থাকবেন
হল্যান্ডের নোলান ক্লার্ক-টিম ডি
লিডে। ১৯৯৬ বিশ্বকাপে দক্ষিণ
আফ্রিকার বিপক্ষে ম্যাচে
ক্লার্কের বয়স ছিল ৪৭ বছর ২৫৭ দিন।
দ্বিতীয় উইকেটে টিম লিডের সঙ্গে
গড়েছিলেন ১৪ রানের জুটি। দুজনের
বয়সের ব্যবধান ছিল ১৯ বছর।
১৯৯৩ সালের মার্চে পুনেতে
ভারতের বিপক্ষে জিম্বাবুয়ের জন
ট্রাইকস-ডেভিড ব্রেইন দশম উইকেটে
গড়েছিলেন ১৭ রানের জুটি।
ট্রাইকসের বয়স ছিল সেদিন ৪৫ বছর ৩১২
দিন, দুজনের বয়সের ব্যবধান ছিল ১৬
বছর।

No comments:

Post a Comment